যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একের পর হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। সর্বশেষ হুমকিতে ট্রাম্প বলেছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তাঁর দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে যদি তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তবে তিনি ‘পুরো ইরান উড়িয়ে দেবেন।’
ট্রাম্প ইরানি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। যদি তার এই হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তবে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। তেহরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামোতে একই ধরনের হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
আমেরিকান গণমাধ্যমগুলোকে দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি না হলে, “আমরা পুরো দেশটাকেই উড়িয়ে দেব।” অ্যাক্সিওস এবং ফক্স নিউজের তথ্য অনুযায়ী, তিনি বলেন,‘একটি ভালো সম্ভাবনা আছে, কিন্তু তারা যদি চুক্তি না করে, আমি ওখানকার সবকিছু উড়িয়ে দেব।’
প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ইরান ‘সম্প‚র্ণ বিধ্বস্ত এবং প্রতিদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’ ট্রাম্প ইরানের নেতাদের সাথে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে সেখানকার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
অন্যদিকে তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, “প্রতিদিন তাদের আরও সেতু নির্মাণ করতে হবে, এবং তাদের আরও বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অন্যান্য সবকিছু তৈরি করতে হবে। এমন আঘাত কোনো দেশ আগে কখনো পায়নি।”
এদিকে মার্কিন সর্বাধিনায়ক অ্যাক্সিওসকে বলেন, “তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। তারা ভয় পাচ্ছে যে আমরা যুদ্ধের মাঝপথে চলে যাব,কিন্তু আমরা চলে যাচ্ছি না।” গত দুই সপ্তাহ ধরে, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিনিময়ে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টায় ওয়াশিংটন ও তেহরান পাকিস্তান, মিশর এবং তুরস্কের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু তাতে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।












